খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক, ১৪৩৩

বিশ্বনাথে ঘরে ঢুকে মারধর-লুট ও ভাংচুরের ঘটনায় আ’লীগ-ছাত্রলীগের ৭০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিশ্বনাথে ঘরে ঢুকে মারধর-লুট ও ভাংচুরের ঘটনায় আ’লীগ-ছাত্রলীগের ৭০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

ছবিতে নেতাকর্মী

আফজাল মিয়া | বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :

সিলেটের বিশ্বনাথে পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ বকুলকে তার নিজ বসতঘরে ঢুকে মারধর এবং ঘরের মালামাল লুট ও ভাংচুরের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ’সহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ৭০ নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। 
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ বকুল বাদী হয়ে বিশ্বনাথ থানায় মামলাটি দায়ের করেন। দায়ের করা মামলা নং ১১ (তাং ১৪.০৯.২৬ইং)।

ঘটনার ৫ দিন পর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি শামীম আহমদ ওরফে চাক্কু শামীমকে প্রধান অভিযুক্ত করে থানায় দায়ের করার মামলায় ২০ জনকে এজাহারনামীয় অভিযুক্ত ও আরোও ৪০-৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা অভিযুক্ত করা হয়েছে। তবে এঘটনায় মঙ্গলবার (১৫.০৯.২৬ইং) সন্ধ্যা পর্যন্ত কোন গ্রেপ্তার নেই বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

ছাত্রদল নেতার দায়ের করা মামলার অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বদরুল আলম (সাং মুফতিরগাঁও), উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব ওরফে হাবিব মিয়া (সাং বিশ্বনাথ নুতন বাজার), নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ বিশ্বনাথ উপজেলা শাখার সভাপতি সিরাজুল ইসলাম রুকন (সাং চান্দশিরকাপন), সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মামুন (সাং মুফতিরগাঁও), সহ সভাপতি কয়েছ আহমদ (সাং জানাইয়া), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান আহমদ (সাং দৌলতপুর), রেজাউল ইসলাম রেজা (সাং শ্রীধরপুর), সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সালমান আহমেদ (সাং পাহাড়পুর), প্রচার সম্পাদক পারভেজ আহমদ (সাং বন্ধুয়া), যুবলীগ নেতা রাজন আহমদ অপু (সাং মুফতিরগাও), নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি এনামুল হক বিজয় (সাং তেলিকোনা), কার্যক্রম নিষিদ্ধ বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য আশিক আলী (সাং সেনেরগাঁও), স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রফিক আলী (সাং শরিষপুর), এবং ওয়াজিবুল মিয়া (সাং মিরেরচর), হেলাল (সাং দক্ষিণ দশপাইকা), আইদিদ আহমেদ (সাং অজ্ঞাত), আবু আহমেদ তালহা (সাং অজ্ঞাত), নাইম আহমদ (সাং অজ্ঞাত), আব্দুল হক কুতুব (চকরামপ্রসাদ)।

থানায় ছাত্রদল নেতা বকুলের দায়ের করা লিখিত এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ সেপ্টেম্বর (বুধবার) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাদী পৌর শহরের টিএনটি রোডস্থ নিজ বাসায় অবস্থানকালে মামলার প্রধান অভিযুক্ত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শামীম আহমদ ওরফে চাক্কু শামীমের নেতৃত্বে সমূহ অভিযুক্তরা রামদা, দা, চাইনিজ কুড়াল, লোহাড় রড়, জিআই পাইপ, লাঠি-সোঠা’সহ দেশীং অস্ত্রে-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাদীর বসতঘরে অনাধিকার প্রবেশ করে তার (বাদী)’র উপর হামলা করেন। হামলায় তিনি গুরুত্বর আহত হন। হামলার সময় অভিযুক্তরা বাদীর বসতঘরে থাকা আলমিরা ভেঙে প্রায় ১০ লাখ টাকা মূল্যের প্রায় ৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় এবং প্রায় ২ লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র ভাংচুর করেছে বলে মামলার বাদী পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ বকুল তার লিখিত অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন।

মামলা দায়েরের সত্যতা স্বীকার করে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) গাজী মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যোগফল অনলাইন নিউজ ডেস্ক 

পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় ফোনে চাঁদা দাবি; মামলা দায়েরের ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে ফোনে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে কথিত ‘ডন বাবু’ ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’ এবং ‘নবাব’ নামে পরিচিত মোল্লা ইয়ামিন, তাঁর মা শাহিদা বেগম (৫০) ও স্ত্রী হিরা আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ অক্টোবর এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ অক্টোবর পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জিএম আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আক্কাজ আলীর কাছে ফোন করে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাঁরা পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলাগুলো পাইকগাছা থানায় ২৭ ও ২৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, তারিখ ২৭/১০ বলে জানা গেছে।

মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুকের নির্দেশনায় এবং পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবিরের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের রামপাল এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ আব্দুল আউয়াল কবির জানান, জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা অভিযান পরিচালনা করে বহুল আলোচিত ফোনে চাঁদাবাজির ঘটনার ৩ আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 

এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদের কাছে সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে আসলাম শিকদার নামে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা

সাইফুল ইসলাম  ।। গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শিশু তালহা হত্যা মামলায় আমিন উদ্দিন ও শিহাব মোল্লা নামে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একই মামলায় অপর এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাওন মোল্লা পলাতক রয়েছে। 

মামলার অপর আসামি লেয়াকত আলী মোল্লাকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের মানজুরুল ইসলামের ১২ বছর বয়সী ছেলে তালহা ওরফে মুহিন মাছ ধরা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে মানজুরুল ইসলামের ভাড়াটিয়া আমিন উদ্দিনের ঘরে থাকা একটি ট্রাংক থেকে মুহিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা মানজুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায়ে নিহতের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের পিতা মনজুরুল ইসলাম রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তৌফিকুল ইসলাম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড.এম জুলকদর রহমান।

নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নিবন্ধনের দাবিতে তারেক রহমানের অনশন ১৩১ ঘণ্টা, শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে আমজনতার দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরণ অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারেক রহমান। তিনি বর্তমানে ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে দাবি করে তাঁর জীবন রক্ষায় দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

দলটির নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার পাশাপাশি অনশনরত তারেক রহমানের জীবন রক্ষায় নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

গত ৪ নভেম্বর বিকেল থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের প্রধান ফটকে অনশন করছেন তারেক রহমান। তাঁর কর্মসূচির প্রতি বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

তারেক রহমানকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন সংগ্রামী ও সাহসী তরুণ নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তে তিনি আন্দোলনের অগ্রভাগে থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অনশনের ১৩১ ঘণ্টা পার হলেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে দলটি মনে করছে। নিবন্ধনের দাবির বিষয়ে কমিশনের নীরবতা ও উদাসীনতা জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি করছে বলেও দাবি করা হয়।

তারেক রহমানের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সম্পূর্ণ দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

তুলি আক্তার/ অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম